• ১৪ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Anubrata Mondal

রাজ্য

ছুটির দিনে গোপন বৈঠক! নানুরে SP–কে নিয়ে রহস্যে ঢাকল বীরভূম—ভোটের আগে তুঙ্গে জল্পনা

নিজস্ব সংবাদদাতা: বীরভূমে ছুটির দিনে হঠাৎই জেলা পুলিশের এসপির গোপন বৈঠক ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। রবিবার বিকেল তিনটে থেকে পাঁচটার মধ্যে সার্কিট হাউসে এই বৈঠক হয়। ঠিক কী কারণে এমন একান্ত বৈঠক করা হল, তা নিয়ে নানুর জুড়ে জল্পনা তুঙ্গে। কারণ, সামনে বিধানসভা ভোট। ভোটের আগে পুলিশ সুপারের এমন গোপনীয় সভা স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এসআইআর নিয়ে আলোচনা করার জন্যই এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। কারণ, আগের দিনই তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ কেষ্ট মণ্ডল একটি সভায় কেন্দ্রীয় নীতি নিয়ে কড়া বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বীরভূমে কোনও বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা নেই এবং এখানে এসআইআর বা এনআরসি কোনও ভাবেই কার্যকর হবে না। কেষ্টের ওই মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এসপির সঙ্গে বৈঠক হওয়ায় নতুন করে জল্পনা আরও বেড়েছে।এদিকে, নানুরে সম্প্রতি তৃণমূলের এক গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন হন এক স্থানীয় নেতা। অভিযোগ উঠেছে, অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ওই নেতাকে হত্যা করেছে কাজল শেখের গোষ্ঠী। খুন হওয়া নেতা ছিলেন কেষ্ট মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ। তাই এই বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনার বিষয় হতে পারে বলে স্থানীয় সূত্রের খবর।ঘটনা নিয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছেন, এই বৈঠকে খুনের পরিকল্পনাও হতে পারে। তাঁর দাবি, কে কাকে খুন করল এবং পুলিশ কীভাবে তাকিয়ে বসে থাকে, সেই নিয়েও আলোচনা হয়ে থাকতে পারে। যদিও পুলিশ বা প্রশাসনের তরফে কেউ এ বিষয়ে মুখ খোলেননি।ছুটির দিনে এমন গোপন বৈঠক হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে রহস্য আরও গভীর হয়েছে। বীরভূমে ঠিক কী ঘটছে, তা নিয়ে এখনই নতুন চর্চা শুরু হয়েছে জেলায়।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

অভিনব প্রতারণা, বীরভূমের বিভাস অধিকারী গ্রেফতার, ধৃত পুত্র-সহ আরও পাঁচ

উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় পুলিশকে চমকে দিয়ে ফাঁস হল এক অভিনব প্রতারণা চক্র। মূল অভিযুক্ত বীরভূমের বাসিন্দা বিভাস অধিকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত হয়েছে তাঁর পুত্র-সহ মোট ছয় জন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা নয়ডায় এক ভুয়ো থানা গড়ে তুলেছিল। পুলিশি পোশাক, ব্যাজ, নকল সিলমোহর, সরকারি কাগজপত্রসবকিছু সাজানো হয়েছিল আসল থানার মতো করে। এই থানা থেকেই চাকরি পাইয়ে দেওয়া, মামলার সমাধান এবং ব্যবসায়িক অনুমোদনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোটা টাকা হাতানো হত।গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নয়ডা পুলিশ গত সপ্তাহে হানা দেয় ওই স্থানে। সেখান থেকে উদ্ধার হয় নকল পরিচয়পত্র, নিয়োগপত্র, পুলিশি পোশাক, সরকারি সিল, নগদ অর্থ এবং কম্পিউটার সেটআপ।পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই প্রতারণা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে চলছিল। শুধু নয়ডা নয়, দিল্লি ও এনসিআর এলাকাতেও এদের যোগাযোগ ছিল।তদন্তকারীদের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতারণা চলছিল। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের একাধিক অভিযোগ হাতে আসার পর শুরু হয় গোপন নজরদারি। এরপরই গত সপ্তাহে হানা দিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে নয়ডা পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে নকল পরিচয়পত্র, ভুয়ো নিয়োগপত্র, পুলিশি পোশাক, সরকারি সিল, নগদ অর্থ এবং বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে।অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পাশাপাশি রাজ্য-স্তরে এদের যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ১০, ২০২৫
কলকাতা

অনুব্রত কলকাতায় তৃণমূলের বৈঠকে, তাঁকে কি নির্দেশ দলের শীর্ষ নেতৃত্বের?

এদিন কলকাতায় তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকে হাজির ছিলেন বীরভূমের দলের প্রাক্তন সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। এসেছিলেন জেলা পরিষদের সভাপতি কাজল শেখ। এই দুই জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তৃণমূল কংগ্রেস। বীরভূমে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জেরবার তৃণমূল। লড়াই মূলত অনুব্রত ও কাজলের মধ্যে। তাঁরা বিবৃতিও দেন প্রকাশ্য। সম্প্রতি বোলপুর থানার আইসিকে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করে অনুব্রত মন্ডল। তাতে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। সমাজের সর্ব স্তর থেকে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়।তৃণমূলের একাংশের রোষানলে পড়েন অনুব্রত। দলীয় নির্দেশ মেনে সেই ঘটনার পর তড়িঘড়ি ক্ষমাও চেয়ে নেন কেষ্ট। তারপর অবশ্য এআই তত্ব সামনে আসে। এবার শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেদলের ঐক্য রক্ষা করে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, এবং নিজেদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্বকে দূরে সরিয়ে দলীয় স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বৈঠক থেকে বেরিয়ে ফিরহাদ হাকিম স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অনুব্রত মন্ডলকে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্য়তে এমন কাজ করলে দল বরদাস্ত করবে না।

জুন ১৫, ২০২৫
রাজনীতি

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জীর্ণ বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেস, এবার কাজল শেখের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ব্লক সভাপতির

বীরভূমে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীকলহ যেন কিছুতেই কমছে না। বরং বাড়ছে। আইসিকে গালাগাল দেওয়ার অডিও ভাইরাল হতেই অনুব্রত ও কাজল গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব আরও বেড়েছে। নাম না করে বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বীরভূমের সাঁইথিয়া ব্লকের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ সাবের আলি। তাঁর বক্তব্য, দলকে ভাঙিয়ে কেউ কেউ ব্যবসা করছে। তাঁর অভিযোগ, সভাধিপতি দলে বিভাজন সৃষ্টি করছেন। বিষয়টি কোর কমিটির কাছে জানাবেন বলে জানিয়েছেন সাবের আলি।এআইকে যতই দোষারোপ করা হোক না কেন কুকথা কাণ্ডে বিদ্ধ বীরভূম জেলার প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। মুষড়ে পড়েছিলেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠরা। এরই মাঝে উৎসাহিত হয়ে কাজল ঘনিষ্ঠরা বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট সভা করেন বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার বোলপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের অফিসে হাজিরা দিয়ে পরের দিন দলীয় কার্যালয়ে হাজির হন অনুব্রত। এরপর থেকেই ফের উৎসাহিত হয়ে ময়দানে নেমে পড়েছেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠরা। শুক্রবার সন্ধ্যায় সাঁইথিয়া ব্লকের হরিসরা গ্রামে সভা করেন সাবের আলি। সভায় তিনি বলেন, বীরভূম জেলায় ১১ টি বিধানসভার সিটে জয়ী করতে পারেন একমাত্র অনুব্রত মণ্ডল। কারণ তিনিই জেলায় সংগঠনকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন।সাবের আলির অভিযোগ, বীরভূম জেলা পরিষদ সাঁইথিয়া ব্লকে কোন উন্নয়ন করেনি। আর সাঁইথিয়া ব্লকের একজন উপপ্রধানকে ডেকে দলে বিভাজনের সৃষ্টি করছেন। ভাঁওতাবাজি করে তাকে বলা হচ্ছে তোমার এলাকার উন্নয়নে যত টাকা লাগবে দেব। শুধুমাত্র দলে বিভাজন করতে এসব করছেন সভাধিপতি। সরাসরি সভাধিপতিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, এই ব্লকে একমাত্র অবজারভার রানা সিং সভা ডাকতে পারেন। সভাধিপতি পারেন না। মাঠপলসা অঞ্চলে সভাধিপতি নোংরামি করেছে। বনগ্রাম অঞ্চল নিয়ে নোংরামি করছে। দলটা সভাধিপতির বাড়ির সম্পত্তি নয়। কাউকে নিয়ে আলোচনা করতে হলে জেলা পরিষদে নিয়ে গিয়ে আলোচনা করুন। দলকে বিভাজন করতে কাউকে পার্টি অফিসে ডেকে পাঠিয়ে আলোচনা করবেন না। কোর কমিটির কাছে মুখোশ খুলে দেব। এ বিষয়ে কাজল শেখের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০৭, ২০২৫
রাজ্য

শান্তিনিকেতন থানায় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি অনুব্রত মন্ডল

অবশেষে পুলিশি জেরার মুখোমুখি বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। সাত দিন পর তিনি বোলপুরের এসডিপিও অফিসে যান। ওই চত্বটরে শান্তিনিকেতন থানায় জিজ্ঞাসাবাদ চলে। বিকেল ৩ টে ২০ মিনিট নাগাদ অনুব্রত সেখানে আসেন। এর আগে পুলিশ ২বার বোলপুর তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির ওই সদস্যকে তলব করে। অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি বোলপুরের আইসি লিটন হালদারকে ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। সেই অডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় বয়ে যায়। এদিকে বোলপুরের আইসির দুটো মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কে ভাইরাল করল ওই অডিও তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। প্রথম দফায় অনুব্রত ক্ষমা চেয়েছেন, সেই চিঠি প্রকাশ্যে এসেছিল। পরে অনুব্রতর আইনজীবী এআইয়ের অডিও বলে দাবি করেন। অনুব্রত অনুগামীরা বোলপুর আইসির তুলোধোনা করেন। আপাতত শান্তুনিকেতন থানায় অনুব্রত।

জুন ০৬, ২০২৫
রাজ্য

প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্কলহ। বিধান নগরে বিজেপি কর্মীদের হাতেই আক্রান্ত দলীয় কর্মীরা

মঙ্গলবার সকালে বিধান নগরের করুণাময়ী তে বিজেপি কর্মীদের একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। পুলিশ কর্মীর সাথে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের ভাইরাল হওয়া কথোপকথনের ভিত্তিতে, অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেপ্তার হওয়ার দাবি নেই এদিনের বিক্ষোভসূচি। সেই মতো বিধান নগরের বিজেপি সমর্থকরা জমায়েত হয় করুনাময়ী। অভিযোগ এই সময় লেকটাউন অঞ্চলের বিজেপি নেতা পীযূষ কানরিয়ার নেতৃত্বে বেশ কিছু বিজেপি কর্মী এসে যোগ দেয় এদিনের বিক্ষোভসূচিতে। এরপরই তারা জড়িয়ে পড়ে নিজেদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তেজিত হয়ে ওঠে, নিজেরা নিজেদের মধ্যেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। বিধান নগরের বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করে পীযূষ কানুরিয়া লোকজন নিয়ে এসে তাদের উপরে হামলা করেছে। এমনকি পীঊশ কানরিয়াকে সাসপেন্ড হওয়া বিজেপি কর্মী বলেও দাবি করে তারা। যদিও অপরদিকে পীযুষ কানারিয়া জানায় তাদের দল বড় হচ্ছে তাই এ ধরনের ঝামেলা। তবে তারা দলীয় বিষয় দলের ভেতরেই মিটিয়ে নেবেন বলেও দাবি করেছেন।

জুন ০৪, ২০২৫
রাজ্য

আইসিকে কদর্য ভাষা অনুব্রতর, FIR, শেষমেশ ক্ষমা প্রার্থনা

তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় পড়ে যায়। সেই অডিওর শোনা যাচ্ছে, বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির অন্যতম সদস্য অনুব্রত মণ্ডল বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন। দুদিন আগে এই অডিও ক্লিপটি যে কোনও কারণেই ভাইরাল হয়ে যায়। তারপরেই জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ সিং, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার বোলপুর রানা মুখোপাধ্যায় বৈঠক ডেকে আইসি লিটন হালদারকেও ডেকে পাঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বোলপুর এসডিপিও রিকি আগরওয়াল সহ চার পুলিশ কর্তা। উল্লেখ্য, গতকালই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার নাগরিক কমিটির ডাকে বোলপুর থানায় এক বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামীরা। অভিযোগ, আইসি লিটন হালদার বিভিন্ন জনের কাছ থেকে তোলাবাজি অর্থ দাবি করেন। অনুব্রত মণ্ডলকেও, এ ব্যাপারে সোচ্চার হতে দেখা যায়। যদিও এ ব্যাপারে পুলিশের তরফে কোন বক্তব্য জনসমক্ষে আসেনি। অনুব্রতর কদর্য বক্তব্য সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরই তীব্র নিন্দা হয় বিভিন্ন মহল থেকে। এমনকি বিজেপির রাজ্য শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব শাসকদলকে আক্রমণ করার হাতিয়ার পেয়ে যায়। একইসঙ্গে তৃণমূল দল থেকে নিজস্ব হ্যান্ডেলে অনুব্রত মণ্ডলের ঘটনার নিন্দা করা হয়। বলা হয় যে, অনুব্রত মণ্ডল একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন তার সঙ্গে আমাদের দল সম্পূর্ণ দ্বিমত প্রকাশ করছে। এবং এই মন্তব্যকে ও সমর্থন করছে না। পাশাপাশি, দল তাকে নির্দেশ দেয় যে আগামী চার ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে তার বিরুদ্ধে দল শোকজ নোটিশ জারি করবে। ইতিমধ্যে, পুলিশের তরফে একটি মুখবন্ধ খামে চিঠি এসে পৌঁছায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে। অন্যদিকে, বোলপুর থানায় বিএনএস এর ৭৫, ১৩২, ২২৪ ও ৩৫১ ধারায় অনুব্রতর বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়। পাশাপাশি, অডিও ক্লিপটি কিভাবে ভাইরাল হল তা নিয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানান, বীরভূমের পুলিশ সুপার আমানদীপ সিং। অবমাননাকর মন্তব্যের তদন্ত শুক্রবার বোলপুর দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডল একটি ভিডিও বার্তায় সকলের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, যে নানুরের শিঙ্গিতে তার এক দলীয় কর্মীর পা ভেঙে গুড়ো করে দেওয়া হয় সে ব্যাপারে তিনি আইসিকে দেখার অনুরোধ করেন। অনুব্রত বলেন, যে নুরুল নামে সেই দলীয় কর্মী গুরুতর অবস্থায় আহত হন। তারপর সেখান থেকে তাকে ফোন করা হয়। রাত্রি দশটায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। ফোনে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর, তিনি আইসিকে বলেন যে, ওই আহত ব্যক্তিকে বাঁচানোর জন্য আপাতত হাসপাতালে ভর্তি করুন। একইভাবে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ ও আইসিকে অনুরোধ করেন। কিন্তু আইসি তাকে একটি খারাপ কথা বলেন। যেটা তিনি আর বলতে চাইছেন না। তার পক্ষে (অনুব্রতর) এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত হয়নি। তিনি ক্ষমা চাইছেন।

মে ৩০, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

বোলপুরে এসে অভিভূত সৌরভ, বললেন, কঠোর পরিশ্রমই সাফল্যের চাবিকাঠি

বোলপুর পুরসভা ও বীরভূম জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে রবীন্দ্র স্মৃতি বিজড়িত বোলপুর শহরে রবিবার আসেন বাংলার মহারাজ। গত ৯ মে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বোলপুরে আসার কথা থাকলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি আসতে পারেননি। এদিন বোলপুরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। মঞ্চে উঠে সৌরভ বলেন, এই প্রথম বোলপুরে এলাম। এখানে রবীন্দ্র সঙ্গীত নৃত্য ও পরিবেশ দেখে আমি মুগ্ধ। এখানে ভলি, বাস্কেট, ক্যারাটে সহ বিভিন্ন খেলার প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছেন। তাঁদের সম্বর্ধনা দেওয়া হল। বীরভূম থেকে বহু খেলোয়াড় সিএবি যায়। সিএবি তাদের সাহায্য করে থাকে। সেটাই তাদের কাজ। এদিন ঝুলন গোস্বামী সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশের আইকন ঝুলন গোস্বামী। ঝুলন যদি নদিয়ার একটি সাধারণ ঘরের মেয়ে হয়ে এই জায়গায় পৌঁছাতে পারে, বীরভূম কেন পারবে না? নিশ্চয় পারবে। শুধু পরিশ্রম করতে হবে। মঞ্চে দাঁড়িয়ে সৌরভের কাছে অনুব্রত মণ্ডল অনুরোধ করেন বোলপুরে একটি ক্রিকেট কোচিং সেন্টার চালু করার। সৌরভ অবশ্য অনুব্রতর অনুরোধ রাখার কোন প্রতিশ্রুতি দেননি। এদিন বোলপুর সাংসদ অসিত মালকে ধন্যবাদ জানিয়ে সৌরভ বলেন, অসিত মাল ৪ কোটি টাকা দিয়েছেন স্টেডিয়ামের উন্নয়নে। তাঁকে ধন্যবাদ। এদিন অসিত মাল ছাড়াও সুদীপ্ত ঘোষ এবং অনুব্রত মণ্ডলকে ধন্যবাদ জানান বাংলার মহারাজ।

মে ১৮, ২০২৫
রাজনীতি

ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত সিউড়ি, কাজল-অনুব্রত অনুগামীরা সম্মুখসমরে।

বীরভূমের লাল মাটিতে কিছুতেই থামছে না তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। ফের কাজল-অনুব্রত অনুগামীরা সম্মুখসমরে। এবার কাজল অনুগামী সিউড়ি ২নম্বর ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কার্যত জেহাদ ঘোষণা করে সভা করলেন অনুব্রত অনুগামীরা। অভিযোগ একনায়কতন্ত্র ও সমান্তরাল ভাবে দল পরিচালনা করছেন নুরুল ইসলাম। এমনই অভিযোগ অনুব্রত অনুগামী সিউড়ি ২নম্বর ব্লকের পাঁচটি অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের।সোমবার সিউড়ি ২ নম্বর ব্লকের পাঁচটি অঞ্চলের অনুব্রত অনুগামীরা একটি ইন্ডোর সভা করেন। সভার মধ্যমণি ছিলেন তৃণমূল নেতা বলরাম বাগদি। এই বলরাম বাগদিকেই শুক্রবার কর্মী সভায় অনুব্রত মণ্ডলের নাম নেওয়ায় বক্তব্যের মাঝ পথে থামিয়ে দেওয়া হয়েছি। সেই বলরামের নেতৃত্বে এদিন সভা করা হয় ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। বক্তব্যে অধিকাংশ নেতৃত্ব ব্লক সভাপতি বদল চেয়ে গরম গরম বক্তব্য রাখেন। নতুন করে কমিটি তৈরির দাবি উঠে আসে। ব্লক কার্যকারী সভাপতি অশ্বিনী মণ্ডল বলেন, আমাদের ব্লক সভাপতি একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছেন। তাঁকে অনেকেই মানতে পারছেন না। তবে তার চলার দৃষ্টিভঙ্গি বদলালে আমাদের মানতে আপত্তি নেই। কিন্তু তিনি সকলকে নিয়ে চলতে পারছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন পুরনো সকলকে নিয়ে চলার বার্তা দিয়েছেন। সেই নির্দেশ মানতে আমি এদিন সকলকে নিয়ে সভা করেছি।তবে ওই সভা তৃণমূল পরিচালিত মানতে নারাজ ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যারা সভা করেছেন তাদের ৯৫ শতাংশ গত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভোট করেছেন। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া আমি কারও প্রশংসা করতে রাজি নই। ওরা চায় আমি অনুব্রত মণ্ডলের নামে মালা জপি। কিন্তু মালা জপাতে আমি নেই। যারা মনে করছে বিশৃঙ্খলা করে কিছু একটা করা যেতে পারে তারা ভুল করছে। যারা লাগামছাড়া চলতে চায় তাদের আমাকে অপছন্দ হবে। পুরন্দরপুরের শেখর মাল, অবিনাশপুরের রাজু মুখোপাধ্যায় ও বনশঙ্কা অঞ্চলের সভাপতি সরজিত ঘোষ ওই সভায় যাননি।বিজেপির জেলা সসভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, টাকার ভাগ ভাটোয়ারা নিয়ে দুই গোষ্ঠী আড়াআড়ি হয়ে গিয়েছে। দলনেত্রীর নির্দেশের পরেও যত দিন যাচ্ছে ততই ব্লকে ব্লকে বাড়ছে কাজল-অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামীদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।

মার্চ ০৪, ২০২৫
রাজনীতি

এবার ৫ কেজির রূপোর মুকুট কাজল শেখের মাথায়, মিলনমেলায় গড়হাজির অনুব্রত মন্ডল

এই মিলনমেলাতেই বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের হাতে দেখা গিয়েছিল রূপোর তরোয়াল। মাথায় পড়েছিলেন ২ কেজির রূপোর মুকুট। বীরভূমের বেতাজ বাদশা ছাড়া নানুরের বাসাপাড়ার মিলনমেলা যেন বেমানান ছিল। তিহার জেল থেকে ফিরে আসার পর দৃশ্য়পটের আমূল বদল ঘটেছে এই মিলনমেলার। এভাবেই যেন রাজ্যপাটের পরিবর্তন ঘটে যায় কালের নিয়মে। শূন্যস্থান কিভাবে যে পূরণ হয়ে যাবে তা বিধাতাই জানে।এবার সেই মেলার মঞ্চ আলো করে থেকেছেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। তাঁর মাথাতেই এবার দেখা গেল ৫ কেজি ওজনের রূপোর মুকুট। এবার গড়হাজির অনুব্রত মন্ডলও। জানা গিয়েছে, তিনি অবশ্য় আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন। এমনকী বিগত দিনের কর্তারাও এবারের আয়োজনের দায়িত্বে নেই। বীরভূম জেলা পরিষদের প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ কেরিম খান ছিলেন অন্য়তম উদ্যোক্তা। এখন মেলার নিয়ন্ত্রণেও হাতবদল হয়েছে। এই মেলাকে ঘিরে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল দেখছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ০১, ২০২৫
রাজ্য

অনুব্রতর বাড়ির দরজায় আটকে গেলেন মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, কান্নায় ভাসলেন সকন্যা "বীরভূমের বাঘ"

গরু পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল জামিন পাওয়ার পর আজ সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা রওয়ানা দেন বোলপুরের নীচুপট্টির বাড়ির দিকে। বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতিকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন অসংখ্য অনুগামী।এরই মধ্যে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরীকে অনুব্রত তাঁর বাড়িতে ঢোকার অনুমতি না দেওয়ায়। তাঁদের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সাংসদ অসিত মালকেও দরজার বাইরে থেকে ফিরে আসতে হচ্ছে। অনুব্রত মন্ডল ও তাঁর কন্যা সুকন্যাকে দেখা গেল হাত দিয়ে চোখের জল মুছতে। আবেগি অনুব্রত দু হাত দিয়ে চোখ চেপে ছিলেন। আজ বোলপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক করবেন। অনুব্রতর সঙ্গে দেখা হয়নি দলনেত্রীর। বাড়িতে ঢোকার সময় অনুব্রত এদিন বলেন, তিনি দিদির সঙ্গেই আছেন। পায়ে ব্যথা রয়েছে। শরীর ভালো থাকলে তিনি দেখা করবেন দিদির সঙ্গে। কাজল এখন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি। অনুব্রত তিহাড় জেলে থাকলেও তিনিই দলের সভাপতি পদে বহাল রয়েছেন। ফলে তাঁর প্রত্যাবর্তনে ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দেবে কিনা তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বরাবরই অনুব্রতর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হয়েছে, কেড়ে নেওয়া হয়েছে দলের সাংগঠনিক পদ। তবে তাঁরা বিধায়ক রয়েছেন। অনুব্রত জেলে থাকলেও দলের সভাপতিই থেকে গিয়েছেন।অনুব্রত বাড়ি ফেরার পর তাঁরা দেখা করতে গিয়েছিলেন দলের জেলা সভাপতির সঙ্গে। যদিও কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের মাধ্যমে তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়, বাড়িতে প্রবেশাধিকার নেই। স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে সেখান থেকে ফিরে যান চন্দ্রনাথ, বিকাশ, অসিত মাল। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ পেয়েছেন জেলা নেতা সুদীপ্ত ঘোষ, নলহাটির বিধায়ক, বোলপুরের পুর প্রধান। অনুব্রতর সঙ্গে জেলা কোর কমিটির সদস্য সুদীপ্ত ঘোষ দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছিলেন। সেখানে ছিলেন অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা। ছিলেন আরও কয়েকজন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজনীতি

মমতার মুখে কেষ্ট, পার্থ, বালু, মানিকের নাম, নেত্রীর হুঙ্কার গ্রেফতারের বদলা দ্বিগুন হবে

নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে কেষ্ট, বালু, পার্থ, মানিকের নাম। একদা ঘনিষ্ঠ এই চারজনের জেলবন্দি দশায় এখনও বেজায় ক্ষিপ্ত তৃণমূল সুপ্রিমো। একইসঙ্গে বেশ কিছুদিন পর এবার বদলার কথা তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় দলের মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদদের পাশাপাশি দলের সভাপতি, ব্লক সসভাপতি-সহ অন্য নেতা-কর্মীরাও হাজির ছিলেন।লোকসভা ভোটের কয়েক মাস আগে বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে ২০২৪-এর লক্ষ্য স্থির করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কোন কোন ইস্যু তুলে ধরে লোকসভার লড়াইয়ে ঝাঁপাতে হবে, দলনেত্রীর তরফে স্পষ্ট নির্দেশ এল মন্ত্রী-বিধায়ক-সাংসদ ও অন্য নেতাদের কাছে। এদিন দুর্নীতি ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের দিকে ধেয়ে আসা তিরের পাল্টা হামলার রূপরেখাও ঠিক করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য, অনুব্রত মণ্ডল ও সব শেষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেফতারি যে এখনও তাঁকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, এদিন তাঁর কথায় তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে।আমাদের লোকেরা সবাই চোর? দুর্নীতি দেখাচ্ছে। টাকা দিয়ে বলা হচ্ছে চোর বলতে। তৃণমূলকে চোর না বললে ইডি-সিবিআই রেড করবে। খুব হাসছেন! পার্থ জেলে, কেষ্ট জেলে, মানিক জেলে, বালু জেলে। আরও অনেকেই জেলে আছেন। গদ্দার বলছে, অমুক দিন ওর বাড়িতে যাবে। লুঠ করে নিয়ে চলে এল। সিজার লিস্টও দিল না। দিল্লির সরকার সবাইকে আন্ডার গান রেখে দিয়েছে।গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এখনও রাজ্যের বনমন্ত্রী। মানিক ভট্টাচার্য দলীয় বিধায়ক। পার্থ চট্টোপাধ্যায় দল থেকে বহিষ্কৃত। তবুও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম মুখে এনেছেন মমতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, এঁদের নাম নিয়ে মমতা বোজাতে চেয়েছেন কেউ বিপদে পড়লে দল ভুলে যায় না।

নভেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজ্য

'তিহারে বসে বাপ-বেটি বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে, একই দশা হবে পিসি-ভাইপোর'- সুকান্ত

আপনাদের এখানকার বড় নেতা এখন দিল্লির তিহার জেলে বসে বেদের মেয়ে জোসনা সিনেমার গান গাইছেন জেলখানায় সম্বল, থালা বাটি কম্বল। এখন আবার বাপ বেটি পাশাপাশি বসে গাইছেন। অপেক্ষা করুন কয়েক মাস। পিসি আর ভাইপো একইভাবে সঙ্গে ওই গান করবেন। রবিবার বিকেলে বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের ষাটপলসা মোরে জনসভায় এভাবেই তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, আপনারা তৃণমূলের চোখে চোখ রেখে লড়াই করে যান। আমার কাছে খবর আছে আপনারা যখন দলীয় পতাকা বাঁধতে যাচ্ছিলেন তখন এই থানার ওসি বলেছিলেন গুলি চালিয়ে দেব। আমি চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি একজন কার্যকর্তার গায়ে গুলি চালান, হাইকোর্টে গিয়ে আপনার উর্দি খুলে দিতে না পারলে আমার নাম সুকান্ত মজুমদার নয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতা জটিল মণ্ডলকে আক্রমণ করে বলেন, বালি পাচারের টাকা খাবেন। একটা অংশ পুলিশকে দেবেন আর আমাদের লোকেদের ধমকাবেন চমকাবেন এটা চলতে দেওয়া যাবে না। এখন বলছি শুধরে যান। মনে রাখবেন আপনাদের বড় বড় আইপিএসদের সিবিআই, ইডি ধরে নিয়ে যাচ্ছেন। আপনি তো থানার ওসি। আপনাকে তুলে নিয়ে যেতে দুমিনিট সময় লাগবে না।অনুব্রত মণ্ডলকে কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আগে শুনতে পেতেন খেলা হবে। কিন্তু এখন শুনতে পান? আগে ওরা কথায় কথায় দিল্লি যেত। এখন দিল্লি যেতে বললে তারা বলে দিল্লি যাব না। আরও বড় বড় চোর রয়েছে। উপর তোলার চোরদের আমরা টাইট করব। নিছু তলার চোরদের আপনারা শায়েস্তা করুণ। আপনাদের বড় নেতা চরাম চরাম, পাঁচন, নকুলদানার দাওয়াই দিতেন। এখন শোনা যাচ্ছে বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে। জেলখানা সম্বল, থানা বাটি কম্বল। আমরা দিল্লি গেলে শুনি। আর কয়েকটা মাস অপেক্ষা করুণ পিসি আর ভাইপো পাশাপাশি একই সঙ্গে বসে একই গান গাইবেন।নগর উন্নয়ন মন্ত্রী শনিবার বলেছিলেন ২৪ সালে আমারই সরকার গড়ব। সেই মন্তব্যকে কটাক্ষ করে সুকান্ত বলেন, ২৪ সালে যদি তৃণমূল সরকার গড়ে তাহলে হাতিও জামা প্যান্ট পরে ঘুরবে। আর পারলে আমার বিরুদ্ধে সিবিআই লাগান। তবে বলে রাখি ভোটের দিন কাউকে বুথ লুঠ করতে দেবেন না। তাঁর জন্য ঝাণ্ডার সঙ্গে মোটা মোটা ডাণ্ডা রাখন। কেউ বুথ লুঠ করতে এলে শায়েস্তা করুণ। পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে এক মাসের মধ্যে আপনার বাড়িতে পৌঁছে দেব।

জুলাই ০২, ২০২৩
রাজ্য

এবার গরুপাচার কাণ্ডে দিল্লিতে ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত কন্যা সুকন্যা

গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডলেক ১১ অগাস্ট সিবিআই গ্রেফতার করেছিল। এখন তিনি তিহার জেলে রয়েছেন। এবার গরুপাচার মামলায় দিল্লিতে ইডি তলব করেছিল অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মন্ডলকে। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এদিন জবাবে অসঙ্গতি মেলায় সুকন্যাকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এর আগে গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, তাঁর ব্যক্তিগত হিসাবরক্ষককে। ইডি সূত্রে খবর, বারে বারে ইডিকে বিভ্রান্তি করে চলেছিল সুকন্যা। তিনি নিজে নাকি টাকা পয়সার হিসেব রাখতেন। একধাক্কায় কি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হলেন তিনি? এই প্রশ্নের সঠিক জবাব তিনি দিতে পারেননি। শেষমেষ এদিন গ্রেফতার করা হয় সুকন্যাকে। আগামিকাল তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। জানা গিয়েছে, ৫ দিনের হেফাজত চাইবে ইডি। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া, আইনি প্রক্রিয়ায় দল নাক গলাবে না{ তবে মাতৃহারা সুকন্যাকে বাইরে রেখে কি তদন্ত করা যেত না? বিজেপির প্রতিক্রিয়া, গরুপাচার কাণ্ডে জড়িত বলেই গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রত কন্যাকে। আগেই বলা হয়েছিল অভিযুক্ত কেউ ছাড়া পাবে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২৩
রাজ্য

সরানো হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মহম্মদবাজারের আইসিকে, তলব করা হয়েছিল গরুপাচার কাণ্ডে

বীরভূমের মহম্মদ বাজার থানার আইসি মহম্মদ আলিকে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁকে পশ্চিম মেদিনীপুরে পাঠানো হয়েছে ডিইবি-তে। অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে সরানো হয়েছে আলিকে।সম্প্রতি, গরুপাচার কাণ্ডে মহম্মদ আলির নাম জড়়িয়েছিল। এই আইসিকে তলবও করেছিল ইডি। সূত্রের খবর, গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের ঘনিষ্ঠ এই পুলিশ অফিসার। তিনি অনুব্রতর মামলার টাকার যোগানও দিয়েছেন বলে ইডি সূত্রে খবর। তাঁকে তলব করায় পুলিশ মহলে কানাঘুষো চলছিল। এবার তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।

এপ্রিল ১১, ২০২৩
রাজ্য

এবার অনুব্রতকে গ্রেফতার ইডির, সায়গল, সুকন্যার মতো দিল্লিতে জেরার উদ্যোগ

গরু পাচার মামলায় এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট গ্রেফতার করল তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে। গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতিকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। বৃহস্পতিবার আসানসোল জেলে গিয়ে টানা সাড়ে পাঁচ ঘন্টা অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। জিজ্ঞাসাবাদের সময় অনুব্রত সহযোগিতা করেনি বলেই সূত্রের খবর। তারপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে গরুপাচার মামলায় কোটি কোটি টাকার লেনদেনের কথা জানতে পারে সিবিআই। তার মেয়ের নামেও একাধিক ব্যবসা ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। মিলেছে ফিক্স ডিপোডিট। একাধিক রাইস মিলের খোঁজ মিলেছে মন্ডল পরিবারের মালিকানায়। এই সব টাকা কোথা থেকে এসেছে জানতে চায় ইডি। অনুব্রত সদুত্তর দিচ্ছিল না বলে সূত্রের খবর। তারপরই তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। ইতিমধ্যে অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে জেরা করার জন্য দিল্লি নিয়ে গিয়েছে ইডি। সিবিআই গ্রেফতারের সময়ই অনুব্রত নিজে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারে তদন্তের জন্য। দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চাইছে ইডি।

নভেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

একবার নয়, একাধাকিবার লটারির পুরস্কার পেয়েছে অনুব্রতর পরিবার, নয়াতথ্যে বাড়ছে রহস্য

লটারি কাণ্ডের বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের। তৃণমূলের নানা স্তরের নেতৃত্ব ও আত্মীয়ের লটারিতে পুরস্কার পাওয়া নিয়েই চলছে বিতর্ক। বিরোধী দলনেতা একাধিকবার অভিযোগ করেছেন ডিয়ার লটারি তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে মিলিমিশে কেলেঙ্কারি চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে অনুব্রত মন্ডলের লটারিতে এক কোটি টাকা পাওয়া নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে আরও রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। তাঁর মেয়ের অ্যাকাউন্টেও লটারির টাকার হদিশ মিলেছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। এমনকী অনুব্রতর অ্যাকাউন্টেও আরেকটি লটারির টিকিট থেকে প্রাইজমানির টাকা জমা পড়েছিল বলে সূত্রের খবর। সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি খতিয়ে দেখছে।এর আগে ডিয়ার লটারিতে ১ কোটি টাকা জিতেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল, এখবর প্রকাশ্যে এসেছিল। তার আগে নাকি ২০১৯ সালেও লটারি জিতেছিলেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। সিবিআই সূত্রে খবর, অনুব্রতর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে জানা গিয়েছে তখন পেয়েছিলেন ১০ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি অনুব্রতর কন্যা প্রাথমিক শিক্ষিকা সুকন্যা দুবার জিতেছেন লটারি। একবার ২৫ লক্ষ টাকা। অন্যবার জিতেছেন ২৬ লক্ষ। একাধিকবার তৃণমূল নেতা ও তাঁর মেয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লটারির টিকিট জেতার টাকা জমা পড়ায় সন্দেহ বেড়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। এই লটারি জেতার মাধ্যে কালো টাকা সাদা হয়েছে কীনা তাই খতিয়ে দেখছে সিবিআই। তাছাড়া অনুব্রতর কোনও নিকট আত্মীয় বা বাড়ি কাজের লোকেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। সেই সব অ্যাকাউন্টেও লটারির জয়ের টাকা পড়তে পারে বলে সন্দেহ করছে সিবিআই। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ডিয়ার লটারি কতৃপক্ষের সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের আঁতাঁত নিয়ে সরব হয়েছিলেন। ডিয়ার (ভাইপো) লটারির বলে কটাক্ষও করেছেন তিনি। এদিকে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের বক্তব্য, লটারির খেলা চলে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়মানুসারে। তৃণমূলের কে লটারির টিকিট পেয়ে পুরস্কার পেল কি পেল না তা নিয়ে বলার কিছু নেই। অনুব্রত মন্ডল ডিয়ার লটারির প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা জিতেছেন, তারপর তৃণমূল বিধায়ক বিবেক গুপ্তর স্ত্রী প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা জিতেছেন। এই সব ঘটনায় রহস্য বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

দেহরক্ষী হীন কেষ্ট, সুপ্রিম-রায়ে ইডি-র ডাকে দিল্লি চলল সহগল

একদিকে মানিক ভট্টাচার্য্য ও ২৬৯ জন বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের সাময়িক স্বস্থিদানের রায় দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট ঠিক সেই সমইয়েই, গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত, জেলবন্দি বীরভূমের বেতাজ বাদশা তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী রাজ্য সরকারের কনস্টবল পদে কর্মরত সহগল হোসেনের আবেদন খারিজ করে এক অন্য বার্তা দিল শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট।পরিণাম স্বরুপ সহগলকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র আর কোনও বাধাই রইল না। উল্লেখ্য এর আগে সহগলকে দিল্লিতে ইডি-র অফিসে নিয়ে গিয়ে জেরার জন্য আসানসোলে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেছিল ইডি। সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তারপর ইডি কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করে এবং কলকাতা হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাবে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে তদন্তকারী সংস্থার সেই আবেদনও বাতিল হয়ে যায়।কলকাতা হাইকোর্টে রায় জানার পর পরেই ইডি দিল্লির রউস অ্যাভিনিউ কোর্টের আবেদন করে। সেখানে সোমবার ইডির আবেদনে সম্মতি দিয়ে সহগলকে সহগলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করার অনুমতি দেয়। সেই রায়ের বিরোধিতা করে সহগলের আইনজীবী দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করে, তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট রউস আদালতের এই নির্দেশের উপর অন্তর্বর্তিকালীন স্থগিতাদেশ দেয়। এবং জানায়, শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সহগলের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না ইডি। কিন্তু বৃহস্পতিবার দিল্লি হাই কোর্টই আবার জানায়, গরু পাচার কান্ডে ধৃত সহগলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আবার দিল্লিতে জেরা এড়াতে মড়িয়া সহগল দিল্লি হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান। শুক্রবার সহগলের আর্জি খারিজ করে দিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরার আবেদনে শিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট।

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজনীতি

দ্বিতীয় বার জেলা সভাপতি হয়ে কেষ্ট গড়ে বিজয়া সম্মিলনীতে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়

জেলা সভাপতি হওয়ার পর এই প্রথম পূর্ব বর্ধমানের কোন দলীয় সভায় হাজির হলেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। অনুব্রত মণ্ডল জেলে যাওয়ার পর আউশগ্রাম বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের দলীয় সংগঠন সামলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল নেতৃত্বকে। আর দায়িত্ব পাওয়ার পর শুক্রবার প্রথম আউশগ্রামে দলীয় কোনও কর্মসূচিতে অংশ নিলেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। এবং তাৎপর্যপূর্ন ভাবে সেই যাত্রা শুরু অনুব্রত গড় বলে ক্ষ্যাত আউশগ্রাম।শুক্রবার আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনী ছিল গেরাই উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে। এই সম্মেলনে যোগ দিয়ে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বুথস্তরের কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় রেখে চলার বার্তা দিলেন। পাশাপাশি আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটের জন্য প্রস্তুতির পাশাপাশি গুরুদায়িত্ব হিসাবে আগামী ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের কথা স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।আউশগ্রাম বিধানসভা এলাকা প্রশাসনিকভাবে পূর্ব বর্ধমানের মধ্যে পড়লেও বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত আউশগ্রাম। এই বিধানসভা এলাকায় দলীয় সংগঠন এতদিন ধরে সামলাছিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু তিনি গরুপাচার মামলায় জেলে যাওয়ার পর পূর্ব বর্ধমান জেলা নেতৃত্বকে আউশগ্রাম এলাকায় সংগঠন দেখার দায়িত্ব দিয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে ছিলেন বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অসিত মাল, জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্যনেত্রী জয়া দত্ত, আউশগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থান্দার, বর্ধমান উত্তরের বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক ও যুব নেতা তথা জেলা-যুব সম্পাদক বর্ধমানের রাসবিহারী হালদার।

অক্টোবর ১৪, ২০২২
রাজ্য

এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখায় ভয়াবহ আগুন, রহস্যের গন্ধ!

এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখায় ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘন ধোঁয়ার কুন্ডলী বের হতে থাকে। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। দমকলের দুটি ইঞ্জিন আগুন আয়ত্বে আনার চেষ্টা করছে৷ উল্লেখ্য, গরু পাচার মামলায় তদন্তে নেমে এই ব্যাঙ্কের শাখায় একাধিকবার হানা দিয়েছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, এই শাখায় অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল, দেহরক্ষী সায়গল হোসেন সহ ঘনিষ্ঠদের একাউন্ট রয়েছে৷ এছাড়া সুকন্যা মণ্ডলের নামে কেনা জমির লেনদেন এই এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখার মাধ্যমেই হয়েছিল৷ এই আবহে এই ব্যাঙ্কে ভয়াবহ আগুন৷ তথ্য লোপাটের জন্যই কি এই আগুন? নানা মহলে উঠছে এই প্রশ্ন৷

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ঈশান কোনে মেঘ দেখছেন সঞ্জু! তিরুঅনন্তপুরমে কিউয়িদের উড়িয়ে ৪-১ সিরিজ় জয় ভারতের

বিশ্বকাপের আগে বোলার ও ফিল্ডিংয়ের বাস্তব পরীক্ষা নিতে টস জিতে আগে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। শিশির বাড়লে অর্শদীপ সিংহ, বরুণ চক্রবর্তীরা রান সামলাতে পারেন কি না, সেটাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু পরিকল্পনার মাঝেই দৃশ্যপট বদলে দিলেন ঈশান কিশন। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে তিরুঅনন্তপুরমে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪৬ রানে হারিয়ে ৪-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় জিতে নিল ভারত।ভারত তোলে ৫ উইকেটে ২৭১ রানটি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। জবাবে কিউয়িদের ইনিংস থামে ১৯.৪ ওভারে ২২৫ রানে। ম্যাচে দুদল মিলিয়ে ওঠে ৪৯৬ রান ও ৩৬টি ছক্কাটি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে যা নতুন নজিরের শামিল।দুবছরের বেশি সময় পর জাতীয় দলে ফেরা ঈশান কিশন যেন প্রমাণ করতেই নেমেছিলেন। তিন নম্বরে নেমে ৪৩ বলে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ৬টি চার ও ১০টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে কিউয়ি বোলারদের কার্যত ছেলেখেলা বানান ঈশান। তাঁকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৩০ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন সূর্য। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ৫৭ বলে ১৩৭ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন।এর পর পাঁচ নম্বরে নেমে হার্দিক পাণ্ড্য করেন ১৭ বলে ৪২। শেষ দিকে রিঙ্কু সিংহ ও শিবম দুবে নামেন শুধু আনুষ্ঠানিকতা সারতে। কিউয়ি বোলারদের মধ্যে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত ছিলেন লকি ফার্গুসন (৪১ রানে ২ উইকেট), বাকিরা ভারতীয় ব্যাটিং তাণ্ডবের সামনে অসহায় দেখিয়েছেন।লক্ষ্য তাড়ায় নিউ জ়িল্যান্ডের শুরুটা নড়বড়ে হলেও ফিন অ্যালেন (৩৮ বলে ৮০) এবং রাচিন রবীন্দ্র (১৭ বলে ৩০) লড়াই জিইয়ে রাখেন। অ্যালেন আউট হওয়ার পরই ভেঙে পড়ে কিউয়িদের ইনিংস। মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলে ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেন অর্শদীপ ও অক্ষর পটেল।চাপের মুখে ড্যারেল মিচেল চেষ্টা করলেও একা কিছু করার ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভারতের বোলারদের মধ্যে উজ্জ্বলতম পারফরম্যান্স অর্শদীপের৫১ রানে ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে এটাই তাঁর প্রথম পাঁচ উইকেট। অক্ষর নেন ৩৩ রানে ৩ উইকেট। হার্দিক কার্যকর হলেও বুমরাহ ও বরুণ প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন, যা বিশ্বকাপের আগে ভাবনার জায়গা রেখে গেল।সব মিলিয়ে, ঈশানের শতরান আর অর্শদীপের পাঁচ উইকেটদুটোই একসঙ্গে এনে দিল ভারতের বড় জয় এবং আত্মবিশ্বাসী সিরিজ় সমাপ্তি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

২৭ জনের মৃত্যু! এখনও নিখোঁজ বহু! এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন, প্রশ্ন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে

আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। শুক্রবার রাতের দিকে ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের দেহাংশ উদ্ধার করেছে দমকল ও পুলিশের যৌথ দল। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭-এ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই অবশেষে ওই কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন পরে কেন তদন্তে এই তৎপরতা।গত রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকার ওই কারখানায় আগুন লাগে। রাত প্রায় ৩টে নাগাদ কারখানার গুদাম অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর টানা প্রায় ৩২ ঘণ্টা ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা চলে। ১২টি ইঞ্জিন নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নামেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকে। আগুনের তীব্রতায় কারখানার ভিতরেই আটকে পড়েন বহু শ্রমিক। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনে তাঁদের আর্তনাদ শোনার কোনও সুযোগই পাননি কেউ।ভয়াবহ এই ঘটনার এক সপ্তাহ পরে অবশেষে সিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় বারুইপুর জেলা পুলিশ। আগুনে পুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়া ওই কারখানাতেই এবার তদন্ত চালাবে বিশেষ দল। পাঁচ সদস্যের এই সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন বারুইপুর জেলা পুলিশের সুপার শুভেন্দু কুমার। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসপি (ক্রাইম), ডিইবি-র এক ইন্সপেক্টর এবং আরও এক জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরেন্সিক রিপোর্ট খতিয়ে দেখা, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করা, কারখানায় কী ধরনের নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল এবং কীভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়ালসব দিকই খতিয়ে দেখবে সিট। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই নামজাদা একটি মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জলাভূমি বুজিয়ে কারখানা তৈরির অভিযোগও সামনে এসেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই সংস্থার ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। তদন্ত আরও গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লি যাওয়ার আগে বিস্ফোরক চিঠি মমতার! ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

সোমবার বিকেলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই রবিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠির মূল বিষয়, পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়া।চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, বাংলায় ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যে পদ্ধতি অনুসরণ করছে, তা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়ার জেরে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। মমতার চিঠি অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সমস্যায় ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক মাস আগে তৃণমূলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে মৃতের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০। নতুন চিঠিতে সেই সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে।মমতা আরও লিখেছেন, ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮,১০০ জন মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই নিয়োগের কোনও আইনি ভিত্তি নেই। শুরু থেকেই বাংলায় নির্বাচনী রোল সংশোধনের ক্ষেত্রে ERO এবং AERO-দের ভূমিকার পক্ষে সওয়াল করে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতেও সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের একমাত্র আইনগত ক্ষমতা ERO এবং AERO-দের। অথচ সেই ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।চিঠিতে আরও প্রশ্ন তোলা হয়েছে, দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে যেখানে SIR প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে কেন এই ধরনের মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়নি। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই কেন আলাদা নিয়ম প্রয়োগ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি ত্রিপুরা ক্যাডারের চার জন আইএএস অফিসার-সহ একাধিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।মমতার অভিযোগ, কিছু পর্যবেক্ষক বেআইনিভাবে CEO অফিস থেকে নির্বাচন কমিশনের পোর্টালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্য বদলের চেষ্টা করছেন। এর ফলে বহু যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ছে এবং তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, SIR প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। চিঠিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে এই বিষয়গুলির তাৎক্ষণিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।একই আইন সারা দেশে প্রযোজ্য হলেও পশ্চিমবঙ্গে আলাদা নিয়মে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। মমতার দাবি, এই প্রক্রিয়া গণতন্ত্র এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে মানুষের আস্থা ও মানবাধিকার রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘বাঁচাও’ চিৎকার, তারপর ভয়াবহ পতন! তিনতলা থেকে ফেলে খুন বৃদ্ধা ভাড়াটিয়াকে

ভাড়াটিয়াকে তিনতলার ছাদ থেকে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রবীন্দ্রনগর থানার অন্তর্গত সন্তোষপুর শান্তিনগরের বিবেক দল এলাকায়। মৃত বৃদ্ধার নাম শেফালী মান্না। বয়স ৭৬ বছর।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেফালী মান্না অভিযুক্ত বাসুদেব ঘোষের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। সোমবার দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই এলাকায় বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায়, দুতলার ছাদ থেকে ওই বৃদ্ধা নীচে পড়ে গিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়ির মালিক বাসুদেব ঘোষ ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে রবীন্দ্রনগর থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতার পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর বাসুদেব ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ছিল। অতীতে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। আবার এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজ্য

তদন্ত এনআইএ-র হাতে, মুর্শিদাবাদে পুলিশ সুপার বদল! নবান্নের বড় সিদ্ধান্ত

বেলডাঙার অশান্তির ঘটনার পর রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে বড়সড় রদবদল। শুক্রবার ওই ঘটনার তদন্তভার পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পরের দিনই বদল করা হয় মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারকে। এর পর শনিবার নবান্ন থেকে একযোগে ২২ জন আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিকের বদলির নির্দেশ জারি করা হয়। শহর ও জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ধৃতিমান সরকারকে। কুমার সানি রাজকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ শাখা এসএসআইবি-তে। ধৃতিমান সরকার এর আগে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে কাজ করেছেন।শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটেও গুরুত্বপূর্ণ বদল হয়েছে। যুবভারতী কাণ্ডের পরে সাসপেন্ড হওয়া তৎকালীন ডিসি অনীশ সরকারের জায়গায় ডিসি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন পুষ্পা। বনগাঁর পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারকে করা হয়েছে ডিসি (উত্তর)। ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতাকে পাঠানো হয়েছে বনগাঁর পুলিশ সুপার হিসেবে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন চারু শর্মা। ডিসি (পূর্ব) পদে আনা হয়েছে জসপ্রীত সিংকে। ডিসি (পূর্ব শহরতলি) হয়েছেন অমিত বর্মা এবং ডিসি (দক্ষিণ) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক সরকারকে।এছাড়াও বারাসতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝারখরিয়াকে দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। অমিত পি জাভালগিকে পাঠানো হয়েছে আইজি, বারাসত রেঞ্জে। অলোক রাজোরিয়া পেয়েছেন ডিআইজি, বর্ধমান রেঞ্জের দায়িত্ব। মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন পুলিশ সুপার আরিশ বিলালকে পাঠানো হয়েছে এসএসআইবি-তে। প্রদীপ কুমার যাদবকে বদলি করে এসএসআইবি, উত্তরবঙ্গ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙা অশান্তির পর একের পর এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

স্কটিশ চার্চ কলেজে রহস্যমৃত্যু! হস্টেল থেকে উদ্ধার ছাত্রীর নিথর দেহ

স্কটিশ চার্চ কলেজের এক ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে। মৃত ছাত্রীর নাম ঋষিতা বণিক। তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন এবং কলেজের হস্টেলেই থাকতেন। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হস্টেল থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঋষিতার বাড়ি ত্রিপুরায়। গত ২৪ জানুয়ারি হঠাৎই হস্টেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পেটে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হলে প্রথমে তাঁকে হস্টেলের সিক রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানে পৌঁছনোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকেরা জানান।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিষক্রিয়ার কারণেই ছাত্রীর মৃত্যু হতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে এই মৃত্যু, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। পাশাপাশি, মৃত ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।সূত্রের খবর, ঋষিতা বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তিনি কোনও ওষুধ সেবন করেছিলেন বলেও প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। সেই ওষুধ থেকেই বিষক্রিয়া হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। তবে যদি খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্যু হয়ে থাকে, তা হলে অন্য কেউ কেন অসুস্থ হননি, সেই প্রশ্নও উঠছে। সব দিক খতিয়ে দেখেই তদন্ত এগোচ্ছে পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর আগে স্কটিশ চার্চ কলেজে একটি গুরুতর অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের অশ্লীল বার্তা পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, ওই অধ্যাপক মূলত দরিদ্র পরিবারের ছাত্রীদের টার্গেট করতেন এবং কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের অনুপযুক্ত বার্তা পাঠাতেন। সেই ঘটনায় পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে অভিযুক্ত অধ্যাপককে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। বর্তমান ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দপুর ট্র্যাজেডিতে বড় ঘোষণা, মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। মৃতদের পরিবারগুলির প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের একটি গুদামে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনার চার দিন পর পর্যন্ত মোট ২৫ জনের দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার দুদিন পর ডেকরেটিং গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে ওই গুদামের সঙ্গে যুক্ত মোমো কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। শেষ পর্যন্ত নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ ওই মোমো কোম্পানির দুই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে।এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শুক্রবার আনন্দপুরে মিছিল করেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ, সরকারি চাকরির দাবি তোলেন। পাশাপাশি মোমো কোম্পানির মালিককে গ্রেফতার না করার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এদিকে, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেন। এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের আনন্দপুরে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। এরপর তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে এবং আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মৃতদের পরিবারগুলির জন্য সাহায্যের ঘোষণা করেছিলেন। তিনি জানান, প্রত্যেক মৃতের পরিবারের একজনকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়া হবে।প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সামাজিক মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। এই আর্থিক সাহায্য শোকস্তব্ধ পরিবারগুলিকে কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি জোগাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য, এই উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করল যে সংকটের সময়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পাশে রয়েছেন।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা শুনানিতে হইচই, কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত কাউন্সিলরের

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে শুনানি কেন্দ্রে হুলস্থুল কাণ্ড। অভিযোগের কেন্দ্রে কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদের সদস্য অসীম বসু। শরৎ বোস রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।গত কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা নথি নিচ্ছেন, কিন্তু তার বদলে কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কাউন্সিলর অসীম বসু শুনানি কেন্দ্রে যান বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী, রসিদ না দিলে কোনও নথি জমা না দিতে শুনানিতে আসা মানুষজনকে নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জন এভাবে শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন না। বিষয়টি শান্তভাবে আলোচনা করা যেত। তাঁদের আরও বক্তব্য, এই ঘটনার ফলে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দেরি হচ্ছে।ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, মানুষ কীভাবে প্রমাণ করবেন তাঁরা কোন কোন নথি জমা দিয়েছেন, যদি কোনও রসিদ না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নথি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন এই অনিয়ম চলছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রসিদ না দিলে প্রয়োজনে শুনানি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেন কাউন্সিলর।এই ঘটনাকে ঘিরে ভবানীপুর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal